প্রতারক অবন্তিকার নতুন আইডি
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইমু এপস এর প্রতারক চক্রের মুকুটহীন সম্রাট আকাশ হাওলাদার এবং অবন্তীকা নামধারী প্রতারক চক্রের এক নারী সদস্যের মুখোশ উন্মোচন।
নিউজ ডেস্ক
দৈনিক বঙ্গ দর্পন
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইমু এপস এর প্রতারক চক্রের মুকুটহীন সম্রাট আকাশ হাওলাদার এবং অবন্তীকা নামধারী প্রতারক চক্রের এক নারী সদস্যের মুখোশ উন্মোচন।পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত যে সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জনপ্রিয়তা পেয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ইমু(Imo apps).প্রবাসীদের অবাধ এবং ব্যপক ব্যবহারের জন্যই এর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে।এই এপ একটা সময় অবাধ যৌনতার নির্ভরশীল প্রান্তর হয়ে দাড়ায়।অতীতের বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে ফোন সেক্স নামক শব্দের ব্যবহার এবং উৎপত্তি এই ইমু নামক যোগাযোগ মাধ্যম থেকেই।প্রবাসীদের স্ত্রীরা এবং আধুনিক যৌন কর্মী সহ বিভিন্ন অপরাধী চক্রের সক্রিয় পদচারনায় ইমু এক অনন্য নাম।এই যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতারক চক্র দ্বারা প্রতারিত হওয়া মানুষের সংখ্যাও অনেক।এ অপরাধ চক্রের অনেকেই বিভিন্ন সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে কোটি টাকার পাহার গড়ে তৈরী করেছে অপরাধের নীল রাজত্ব আবার কেউ প্রতারিত হয়ে সব হারীয়ে আত্মহত্যার মত ভয়ানক পথকেও বেছে নিয়েছে।

এমনি এক প্রতারণা চক্রের মুকুটহীন সম্রাটের নাম হলো বরগুনার আকাশ হাওলাদার ওরফে রুবেল।একটা সময়ের পরিবারের বখে যাওয়া,ঋনের জালে আবদ্ধ সমাজ থেকে বিতারিত আকাশ হাওলাদার আজকে ইমু এপ এর ভয়েস ক্লাব,ভয়েস রুম নামক ফিচারের এ(A) টিমের এক্সেসধারী এজেন্সি।তার নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৮৬ টি ছোট, বড় ভয়েস ক্লাব।তার এই ভয়েস ক্লাবগুলোকে কেন্দ্র করেছে প্রতারনার এক ভয়ংকর রাজত্ব।প্রথমে বিভিন্ন ভয়েস ক্লাবঘুরে প্রবাসীদের স্ত্রীদের টার্গেট করা পরবর্তীতে তাকে বিভিন্ন কায়দায় নিজের পার্সোনালে নিয়ে নিঃসঙ্গ আর একাকিত্ব দুর করে দেয়ার নামে ফোনে যৌনতা করে তার স্ক্রিনশট,স্ক্রিন রেকর্ড ও গুরুত্বপূর্ণ অন্তরঙ্গ কথোপকথন সংরক্ষণ করে আকাশ হাওলাদার। পরবর্তীতে শুরু হয় প্রতারনার চুড়ান্ত পর্যায়। যুক্ত হয় টাকা আদায়ের নতুন মাত্রা। শুধু ভিকটিমদের কাছ থেকে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নিয়েও শেষ হয়না আকাশ হাওলাদারের অপরাধের মাত্রা শুরু হয় তাকে দিয়ে নতুন কোন অপরাধের বলয় সৃষ্টি করা।তদন্ত প্রতিবেদন এর ভিত্তিতে জানা যায় আকাশ হাওলাদারের প্রথম শিকার সিলেটের এক কাতার প্রবাসীর স্ত্রী। নাম ইভানা একই কায়দায় হাতীয়ে নেয়া হয় তার কাছ থেকে ১,৭০,০০০/-টাকা(এক লক্ষ সত্তর হাজার টাকা)।সেই থেকে আকাশ হাওলাদার এর ইমু প্রতারনার রাজ্য তৈরী শুরু।তার এই অপরাধ রাজ্যের বর্তানের সবচেয়ে সমালোচিত সক্রিয় নারী সদস্যের নাম অবন্তিকা।প্রকৃত নাম নাইমা ইসলাম (নেহা)!টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী সেলিম মিয়া এবং ফাতেমা বেগমের একমাত্র কন্যা।

স্কুল জীবনেই শুরু হয় অবন্তীকার অবাধ যৌনতার গল্প।বাবা,মা সহ পরিবারের সকলে তার অবাধ যৌনতার হাত থেকে মুক্ত করতে অল্প বয়সেই অনেকটা জোর পূর্কব বিয়ে দিয়ে দেয় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়ার এক বেকার ছেলের সাথে।এক দিকে অসময়ে বিয়ে অন্যদিকে অবাধ যৌনতার পুরোনো অভ্যাস সেই সাথে যুক্ত হয় জীবনে বেকার স্বামীর সংসার।বিয়ের পর থেকেই শুরু হয় দাম্পত্য কলহ।বাড়তে থাকে ইমুতে কখনো অবন্তীকা,কখনো বিষাদিনী,কখনও ইমুজি গার্ল,এখন নতুন নাম নিস্তব্ধ শহর এমন বহু নামধারী নেহার নোংরামির মাত্রা।বিয়ের পাঁচ মাস যেতে না যেতেই স্বামী,শাশুড়ি সহ পরিবারের সকলের কাছে ধরা পরে যায় অবন্তিকার পরকীয়ার চিত্র।স্ত্রীর এরূপ হীন অপরাধে লজ্জায় অনেকটা না বলেই সৌদি চলে যান অবন্তীকার স্বামী।স্বামীর বাড়ি থেকে বিতারিত হন অবন্তীকা(নেহা)।
অল্প বয়সেই এতো নোংরামির জন্ম দেয়া অবন্তিকার জীবনে শুরু হয় যৌন আবেদন এর নতুন অধ্যায়।এবার আর কোন প্রতিবন্ধকতা নেই।শুরু হয় অনলাইনের নতুন নতুন যায়গায় অবন্তীকার বিচরন।ফেসবুক,টিকটক,বিগো সহ ইমুতে অল্প দিনেই ব্যাপক খোলামেলা আচরনের জন্য পরিচিত লাভ করে।বাড়তে থাকে ফলোয়ার সংখ্যা সেই সাথে বাড়তে থাকে যৌন সঙ্গী পুরুষের সংখ্যাও।
বাড়তে থাকে বিলাসবহুলতা বাড়তে থাকে টাকার নেশা।টাকার বিনিময়ে ইমুতে সেক্স করি নামক শব্দ ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রবাসী ছেলেদের আকৃষ্ট করে দিন যাপনের নতুন অধ্যায়ের সুচনা হয়।ইমুতে তখন এমনি একজন যৌন আবেদনময়ী নারীর প্রয়োজন ছিলো আকাশ হাওলাদারের।নজরে আসে অবন্তীকা(নেহা)!এবার আকাশের ফাঁদ এ পা বাড়ায় অবন্তীকা।শুরু হয় প্রথমে বন্ধুত্ব তারপর ফোন সেক্স তারপর বিছানা অবধি।চতুর আকাশ হাওলাদার নিজের ফোনে সংরক্ষণ করে অন্তরঙ্গতার সকল চিত্র।তার পর শুরু হয় আকাশ হাওলাদার এর পরিকল্পনা ও পরিচালনায় অবন্তিকার নতুন জীবন।প্রতিদিন কোন না কোন ছেলেকে টার্গেট করে তাকে পারসোনালে নিয়ে তাকে বিভিন্ন যৌন আবেদনমূলক কথা বলে নিজের মায়াজাল এ আটকে ফেলা।তারপর যখন ছেলেটি সম্পূর্ণ রূপে অবন্তীকার মাঝে নিজেকে ডুবিয়ে দেয় তখন শুরু হয় অবন্তীকা আকাশের মূল খেলা।অবন্তিকা প্রথমে নিজেকে অসহায় নারী ও বিভিন্ন অভাব অভিযোগ এর কথা তুলে ধরে ইমোশনাল মোটিভেট করে টাকা আদায়ের চেষ্টা করে।পরবর্তীতে এ চেষ্টা ব্যার্থ হলে শুরু হয় নিজের ফোনে সংরক্ষণ কারা অন্তরঙ্গতার নথিপত্র দিয়ে হুমকি ধামকী।অনেকেই নিরূপায় হয়ে সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়ে হারীয়ে যায় ইমু জগৎ থেকে।এভাবেই দিনের পর দিন বাড়তে থাকে আকাশ হাওলাদার এবং অবন্তীার পাপের কর্ম।
সখ্যতা তৈরী হয় ইমু এসিস্ট্যান্টদের সাথে নেয়া হয় ভয়েস ক্লাব এজেন্সি এক্সেস।নাম দেয়া হয় এ(A)টিম।অবন্তীকাকে ইমুতে অবাধে মেশানোর জন্য ঘোষনা দেয়া হয় এ টিম ম্যানেজম্যন্ট এর প্রধান হিসেবে।এরপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি অবন্তিকার।প্রবাসী স্বামী দেশে না আসলেও এক সন্তানের জননী,বিলাসবহুল জীবনে কোন কিছুরই অভাব নেই।অবন্তিকা ও আকাশ হাওলাদার দারা প্রতারিত অনেকের মধ্যে রোহাব,জুবায়েদ,নাজমু,সৈকত,হাসান,রাসেল সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকের তথ্য মতে অবন্তীকার মোট ১৩ টি ইমু আইডি আছে।যে আইডিগুলো দিয়ে একেক সময় একেক ছেলেকে টার্গেট করে ব্লাকমেই করা হয়।
এরই মাঝে অবন্তিকার জীবনে নতুন এক প্রেমের হাওয়া লাগে,জড়ীয়ে পরে জুবায়েদ হাসান নামক এক ছেলের জীবনে,জুবায়েদ এর প্রেম তাকে পাপের দুনিয়া থেকে ফিরিয়ে আনার প্রয়াশ যোগায়। অবন্তিকাও ফিরে আসতে চায় স্বাভাবিক জীবনে।কিন্তু এবারো বিধীবাম, কাল হয়ে দাড়ায় আকাশ হাওলাদার এর কাছে রয়ে যাওয়া অবন্তিকার সকল পাপের ইতিহাস। হারতে হয় জুবায়েদকে।
বিকাশ,নগদ,রকেট সহ সিটি ব্যাংক একাউন্টে এসব প্রতারনার অর্থ লেনদেন হয়।
ভুক্তভোগীদের তথ্যের মতে সংগ্রহ করা হয় হয়রানীর বিভিন্ন চিত্র ও নথিপত্র সহ অবন্তিকা এবং আকাশ হাওলাদার এর চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।মাঠে নামে একদল অনুসন্ধানী মানুষ খুজে বের করে সকল রহস্য।
শুধু যৌন হয়রানি নয় অবৈধ মানি লন্ডারিং,ডিওক ব্যবসা,অদৃশ্য ডায়মন্ড বানিজ্য সহ অসংখ্য অপরাধের সাথে চিত্র স্পষ্ট ভাবে সামনে চলে আসে একের পর এক।
যেহেতু অস্লিল ভিডিও চিত্র সংরক্ষণ,অস্লিল অপকর্মের নথিপত্র নিজের ডিভাইসে সংরক্ষণ করে ব্যবসায়ীক কায়দায় কারো কাছে প্রদর্শন ও স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে হুমকি দেয়া একটি শাস্তি যোগ্য অপরাধ তাই বিষয়টি সমাজের প্রত্যেকটি নাগরিক এর জন্য হুমকি সরূপ।
সমাজের সকল সচেতন মহল যদি সোচ্চার হয় তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এর অপব্যবহার এমন করে নতুন রূপে কোন আকাশ হাওলাদার এবং অবন্তীকার সৃষ্টি বন্ধে সহায়ক হবে।
যদি সকলে মিলে নিজ দায়িত্ব্যে এমন অপরাধ নির্মূলে এক যোগে কাজ করি তাহলেই আমরা আমাদের পৃথিবীকে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুন্দর সুগঠিত ও সভ্য সমাজ উপহার দিতে পারবো।
অবন্তিকা নাম ধারী নেহা এবং আকাশ হাওলাদার এর কৃত সকল অপরাধের নথিপত্র সাইবার ক্রাইম ইউনিটে প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে।যেন সাইবার ক্রাইম এর মত এমন গুরুতর অপরাধ গুলি খতিয়ে দেখে দোসিদের চিহ্নিত করে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তি দেয়া হয় এবং অদূর ভবিষ্যতে এ শাস্তি সমাজে দৃষ্টান্ত হয়ে অপরাধীদের ভেতরে ভয়ের জন্ম দেয়।
বিঃদ্রঃ এ বিষয়ে বর্তমান ইমু অফিসিয়াল ব্যাচধারী হুমায়রার সাথে প্রতিবেদন সম্পর্কে কথা বলতে গেলে উনি কথা বলতে নারাজ বলে জানিয়ে দেন এবং প্রতিবেদন এর ইমু একাউন্ট চিরস্থায়ী ভাবে ব্যান করে দেয়ার হুমকি প্রদর্শন করে।এমনকি প্রতিবেদক এর ১ টা আইডি চিরস্থায়ী ভাবে ইমু ব্যাবহারের জন্য অকেজো করে দেয়।
কে আপনি
ReplyDelete